বৃহস্পতিবার মুক্তি পেয়েছে ‘রামায়ণ’-এর বহু প্রতীক্ষীত ঝলক। এই ছবিতে সীতার চরিত্রে সাই পল্লবীর প্রথম ঝলক প্রকাশ্যে এসেছে। অভিনেত্রীর সাজ এবং হিন্দি উচ্চারণ নিয়ে সমাজমাধ্যমে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা ও সমালোচনা। এর মধ্যেই নিজের স্কুলজীবনের একটি পুরনো ছবি ভাগ করে নিলেন অভিনেত্রী তথা বিজেপি সাংসদ কঙ্গনা রনৌত।
কঙ্গনা ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে একটি ছবি পোস্ট করেন, যেখানে তাঁকে লাল শাড়ি পরে সীতার সাজে দেখা যাচ্ছে। তাঁর পাশে দাঁড়িয়ে রয়েছে রামের সাজে আর এক পড়ুয়া। আরও এক শিশুকে দেখা যায় হনুমানের সাজে। ছবিতে যাদের দেখা যাচ্ছে, তাদের নামও উল্লেখ করেছেন কঙ্গনা। স্কুলের নামও উল্লেখ করেছেন তিনি। পরে ছবিটির আরও একটি বড় অংশ ভাগ করে নেন তিনি। সেখানে দেখা যায়, চুল খোলা অবস্থায় রয়েছেন কঙ্গনা। ডান হাত আশীর্বাদের ভঙ্গিতে। ছবিটি পোস্ট করে কঙ্গনা লেখেন, “আমার আশীর্বাদ সকল উদারপন্থীদের জন্য।” সঙ্গে যোগ করেন হাসির ইমোজি।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি ছাত্র আন্দোলন নিয়ে মন্তব্য করে শিরোনামে রয়েছেন কঙ্গনা। সোমবার তিনি দাবি করেন, এই ধরনের প্রতিবাদ ভারতের সংস্কৃতি ও মূল্যবোধের সঙ্গে মানানসই নয়। তাঁর কথায়, “জীবনে কখনও এত কুৎসিত দৃশ্য একসঙ্গে দেখিনি। নতুন প্রজন্মের প্রতিবাদের এই ভিডিয়োগুলি অত্যন্ত বিরক্তিকর। তাঁদের কথা বলার ধরন এবং ভাষা খুবই হতাশাজনক।”
কঙ্গনা আরও বলেন, “ভারত বৈচিত্র্যে ভরা সুন্দর মানুষের দেশ, যেখানে সৌন্দর্য, সংস্কৃতি এবং পরিশীলনের গুরুত্ব রয়েছে। অথচ নিজেদের ‘আরশোলা’ বলে পরিচয় দেওয়া এবং সেই ধরনের আচরণ করা একেবারেই হতাশাজনক।” এমনকি আন্দোলনকারীদের নর্দমা ও আবর্জনার সঙ্গেও তুলনা করেছেন তিনি। এই মন্তব্যের জন্য সমালোচিতও হয়েছেন অভিনেত্রী।
কঙ্গনা ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে একটি ছবি পোস্ট করেন, যেখানে তাঁকে লাল শাড়ি পরে সীতার সাজে দেখা যাচ্ছে। তাঁর পাশে দাঁড়িয়ে রয়েছে রামের সাজে আর এক পড়ুয়া। আরও এক শিশুকে দেখা যায় হনুমানের সাজে। ছবিতে যাদের দেখা যাচ্ছে, তাদের নামও উল্লেখ করেছেন কঙ্গনা। স্কুলের নামও উল্লেখ করেছেন তিনি। পরে ছবিটির আরও একটি বড় অংশ ভাগ করে নেন তিনি। সেখানে দেখা যায়, চুল খোলা অবস্থায় রয়েছেন কঙ্গনা। ডান হাত আশীর্বাদের ভঙ্গিতে। ছবিটি পোস্ট করে কঙ্গনা লেখেন, “আমার আশীর্বাদ সকল উদারপন্থীদের জন্য।” সঙ্গে যোগ করেন হাসির ইমোজি।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি ছাত্র আন্দোলন নিয়ে মন্তব্য করে শিরোনামে রয়েছেন কঙ্গনা। সোমবার তিনি দাবি করেন, এই ধরনের প্রতিবাদ ভারতের সংস্কৃতি ও মূল্যবোধের সঙ্গে মানানসই নয়। তাঁর কথায়, “জীবনে কখনও এত কুৎসিত দৃশ্য একসঙ্গে দেখিনি। নতুন প্রজন্মের প্রতিবাদের এই ভিডিয়োগুলি অত্যন্ত বিরক্তিকর। তাঁদের কথা বলার ধরন এবং ভাষা খুবই হতাশাজনক।”
কঙ্গনা আরও বলেন, “ভারত বৈচিত্র্যে ভরা সুন্দর মানুষের দেশ, যেখানে সৌন্দর্য, সংস্কৃতি এবং পরিশীলনের গুরুত্ব রয়েছে। অথচ নিজেদের ‘আরশোলা’ বলে পরিচয় দেওয়া এবং সেই ধরনের আচরণ করা একেবারেই হতাশাজনক।” এমনকি আন্দোলনকারীদের নর্দমা ও আবর্জনার সঙ্গেও তুলনা করেছেন তিনি। এই মন্তব্যের জন্য সমালোচিতও হয়েছেন অভিনেত্রী।
তামান্না হাবিব নিশু